iklan banner

ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতদের অবরোধ : দ্বিতীয় দিনেও বন্ধ শাটল ও ডেমু ট্রেন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের কমিটিতে পদবঞ্চিতদের অবরোধের কারণে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বন্ধ রয়েছে শাটল ও ডেমু ট্রেন। তবে শিক্ষক বাসগুলো যথারীতি চলাচল করছে। অবরোধের সমর্থনে নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারীরা নগরীতে ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতরা ক্যাম্পাসে পৃথক কর্মসূচি পালন করছে। বৃহস্পতিবার সকালে নগরীর ষোলশহর স্টেশনে মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারীরা টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন।
জানা যায়, বুধবার সকাল থেকেই ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের অবরোধের কারণে বৃহস্পতিবারও কোনো ট্রেন বিশ্ববিদ্যালয় যেতে পারেনি।
শাটল ও ডেমু ট্রেন চলাচল না করায় বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ক্লাস-পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। ফলে কার্যত অচল রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়। এদিকে বুধবার গভীর রাতে চবি ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে পদবিঞ্চিত ও পদ পাওয়া নেতাদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় দুপক্ষই ব্যাপক গুলি ছোড়ে। এতে ৩ জন গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন হল ও কটেজে অবস্থানরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। এর আগে বুধবার সকালে নগরীর ঝাউতলা স্টেশনে ট্রেন আটকে শাটলের চালককে ধরে নিয়ে যায় নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত পদবঞ্চিতরা। পরে বেশকিছুক্ষণ পর পুলিশসহ অন্যান্য চালকরা শাটলের চালককে উদ্ধার করেন।
এরপর ট্রেনটি ষোলশহর স্টেশনের অদূরে বন গবেষণাগার এলাকায় পৌঁছালে আবারও ট্রেন অবরোধের চেষ্টা করে পদবঞ্চিতরা। এ সময় তারা ট্রেন থামাতে ইট-পাথর নিক্ষেপ করতে থাকে। বিক্ষুব্ধ কর্মীদের থামাতে পুলিশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি নিক্ষেপ করে। কিন্তু তাতেও কাজ না হওয়ায় ট্রেনটি পুনরায় ষোলশহর স্টেশনে ফিরে যায়।
একই সময়ে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী পদবঞ্চিতরা ক্যাম্পাসের সব পরিবহন আটকে দেন। ফলে বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক ও কর্মকর্তা বাস নগরে আসতে পারেনি।
Previous
Next Post »