iklan banner

জরুরি অবস্থা জারির পর থমথমে তুরস্কের শহর

তুরস্কে জরুরি অবস্থা জারির পর শুক্রবার দেশটির বড় বড় শহরের রাজপথে থমথমে পরিস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। গত সপ্তাহের ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর বুধবার রাজধানী আঙ্কারায় জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল ও কেবিনেটের বৈঠকে তিন মাসের জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।


এদিকে, জরুরি অবস্থা জারি করায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ইইউয়ের নেতারা তুর্কি নেতাদের প্রতি মানবাধিকার ও আইনের শাসন মেনে চলার আহবান জানিয়েছেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রধান ফেডেরিকা মোঘারিনি এবং কমিশনার জোহানেস হানের দেয়া এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সামরিক অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার পর জারি করা জরুরি অবস্থার পরিস্থিতি আমরা পর্যবেক্ষণ করছি।’

তবে এরদোয়ান বলছেন, সেনা অভ্যুত্থানে জড়িত সন্ত্রাসীদের নির্মূল করতে এই জরুরি অবস্থার প্রয়োজন দেখা দিয়েছিল। আর একারণেই জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

অভ্যুত্থানের চেষ্টায় তুরস্কের বড় বড় শহরগুলোতে অস্থিরতা দেখা দিয়েছিল। কিন্তু বুধবার জরুরি অবস্থা জারির পর থেকেই পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে গেছে। শহরের রাস্তা-ঘাট একেবারেই শান্ত হয়ে গেছে। এই পরিস্থিতি দেখলে মনে হবে না মাত্র এক সপ্তাহ আগেই শহরগুলো অভ্যুত্থান প্রচেষ্টায় কতটা উত্তাল ছিল।

ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজনদের গ্রেফতারে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা জোরদার, দেশের গণতন্ত্র রক্ষা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরো কঠোর করতেই জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান।
Previous
Next Post »